পলাশের ইউপি সদস্য লোকমান হোসেনের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছে সাধারণ মানুষ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক, নরসিংদী:
নরসিংদীর পলাশ উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য লোকমান হোসেনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ বছর ধরে ক্ষমতার অপব্যবহার, নারীদের জিম্মি করে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা এবং নৈতিক অবক্ষয়ের তীব্র অভিযোগ উঠেছে। তিনি আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় সদস্য এবং পদধারী ব্যক্তি হওয়ার সুবাদে বিগত সরকারের আমলে এলাকায় একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করেন। তার এই অপকর্মের কারণে স্থানীয় যুবসমাজ ও সামাজিক পরিবেশ চরম হুমকির মুখে পড়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সাধারণ মানুষ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘ বছর ধরে লোকমান মেম্বার তার রাজনৈতিক ক্ষমতা ও প্রভাব খাটিয়ে এলাকার অসহায় ও সুন্দরী নারীদের বিভিন্নভাবে জিম্মি করে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করে আসছিলেন। সম্প্রতি তার এই অনৈতিক নারী কেলেঙ্কারির কিছু দৃশ্য ও ছবি প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও জনরোষের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তার তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানানো হচ্ছে।
এলাকাবাসীর বড় ক্ষোভের জায়গা হলো, এত বড় নৈতিক স্খলন ও অপকর্মের পরও লোকমান হোসেন এখনও গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য পদটি ধরে রেখেছেন এবং প্রতি মাসে সরকারি মাসোহারা (ভাতা) ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন। অথচ এ বিষয়ে গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ নীরব ভূমিকা পালন করছেন, যা সাধারণ মানুষের মনে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশার জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ মানুষ স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই অপকর্মকারী ব্যক্তিকে অতি দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। তা না হলে এলাকার যুবসমাজ সম্পূর্ণ ধ্বংসের দিকে চলে যাবে এবং অপরাধীরা আরও পার পেয়ে যাওয়ার সাহস পাবে।
গজারিয়া ইউনিয়নকে একটি সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও মাদকমুক্ত-অপরাধমুক্ত ইউনিয়ন পরিষদ হিসেবে গড়ে তোলার জোর দাবি জানিয়েছেন সর্বস্তরের জনসাধারণ। একই সাথে তারা পলাশ উপজেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশ সুপারের সুদৃষ্টি আকর্ষণ করে অবিলম্বে লোকমান মেম্বারকে গ্রেফতার এবং তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন।






